শিরোনাম
  লাকসামে টানা ৪০ দিন নামাজ পড়ে সাইকেল পেল ১৯ শিশু-কিশোর       লাকসামে নেসলে বিডি’র গোডাউনে অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি       লাকসামের সাখাওয়াত হোসাইন মামুন জেসিআই বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান নির্বাচিত       কুমিল্লায় নিখোঁজের তিন দিনেও সন্ধান মিলেনি স্কুল ছাত্র ইয়াসিন আরাফাতের        লাকসামের আজগরা হাজী আলতাপ আলী হাইস্কুল এণ্ড কলেজের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা       কিছু বিপদগামী নেতা দলের ভেতর অন্তঃকোন্দল সৃষ্টি করার পায়তারা করছে: আজগরা ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল       এএসপি আনিসুল করিমের কবরে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের শ্রদ্ধাঞ্জলি       অনলাইনে কুমিল্লা সরকারি সিটি কলেজে একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু       প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ       লাকসাম পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী নবাব ফয়জুন্নেছার পরিবারের সদস্য আয়াজ    


এম. এস. দোহা:
দলে শুদ্ধি অভিযান চালানোর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি নতুনমাত্রায় ইতিবাচক রাজনীতির শুভ সূচনা করলেন? মানুষের মন জয় করে ভোট নিতে হলে এই রাজনৈতিক কৌশল বা ক্লিন ইমেজ বৃদ্ধির বিকল্প নেই। যা আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন, সুষ্টু ভোটাধিকার প্রয়োগ ও বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনার পজেটিভ রাজনৈতিক মাস্টারপ্লান মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগন।
হার্ড লাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোন আপস নয়। দল ও দেশের স্বার্থে কোন অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। এর ফলে আওয়ামীলীগে অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা মাফিয়া, অপরাধীরা এখন দারুন বেকায়দায়। এদের গডফাদারের অবস্থাও নাজুক। আওয়ামীলীগের লেবেল লাগিয়ে দেশব্যাপী চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও অনাচারকারীদের মধ্যে এখন ‘বড়খতম’ দোয়া পড়ার প্রতিযোগিতা চলছে। একদিকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর লজ্জাজনক বিদায়। অতপর রাজধানী ঢাকায় ক্যাসিনো ব্যবসার অভিযোগে যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের ত্রাহি মধুসুধন অবস্থা। স¤্রাট, রাজা-বাদশা অনেকেই চিৎপটাং। ৬ সেপ্টেম্বর গ্রেফতারের পর অনেক অজানা রহস্য উম্মোচিত হয় স¤্রাটের কালো জগতের। এখন শোনা যাচ্ছে তিন ডজন এমপি নাকি প্রশাসনের নজরদারীতে। ফাদার সংগঠন আওয়ামীলীগেও নাকি শুদ্ধি অভিযান চলবে। যা উপজেলা পর্যায়ে বিসৃত হবে।

জাতিসংঘের সাধারন অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীরা ব্যাগেজ গোছাতে ব্যস্ত, তখন দেশব্যপী চলে ক্যাসিনো বিষয়ক ফোবিয়া। স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা আবু কাওসারের নাম ছিলো প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর তালিকায়। কিন্তু ক্যাসিনো ব্যবসায় অভিযুক্ত হয়ে তিনি ছিটকে পড়েন। যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ক্যাসিনো ব্যবসায়ী ও আইনশৃংখলা বাহিনী সম্পর্কে জালাময়ী বক্তব্যে আলোচনায় আসেন। মনে হয়, ওমর ফারুক চৌধুরীর ‘বাড়া ভাতে ছাই’ দিয়েছে র‌্যাব। আবার পরের দিনেই একশ ডিগ্রী উল্টো গিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসায় ‘বাক বা কুম’। বাহ কি চমৎকার! মেঘ না চাইতেই যেন বজ্রপাত। জি. কে শামীম গ্রেফতারের সাথে সাথে তিনি মিডিয়াকে বলেন, এনামে কাউকে চিনেন না। যুবলীগের সাথে শামীমের কোন সম্পর্ক নেই। অথচ পরের দিন-ই জি কে শামীমের সাথে তার অসংখ্য ছবি পত্র-পত্রিকায় ছাপা হলে তিনি চুপসে যান। অতপর ব্যাংক হিসাব তলবের মাধ্যমে ‘শেষ পেরাক’ মেরে ওমর ফারুক চৌধুরীর ‘হালখাতা’ করলেন প্রধানমন্ত্রী।
অভিযানের ধারাবাহিকতায় সুত্রাপুর থানা আওয়ামীলীগের দু’নেতার বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে টাকা, সিন্দুক ও স্বর্ণের গোডাউনের সন্ধান মিলে। মতিঝিলে ক্লাব পাড়ায় ৫টি সিন্ধুক এখনো খুলতে না পেরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নাস্তানাবুদ। ধীরে ধীরৈ উম্মোচিত হতে শুরু করে আরো অনেক নতুন নুতন রহস্যময় অধ্যায়। থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ে আওয়ামীলীগের লেবেলধারীদের। যারা এক সময় শেখ হাসিনাকে হত্যার প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিলো, তারাই কিভাবে আওয়ামীলীগের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজধানীতে অপরাধ সা¤্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করলেন এ হিসেব মিলানো কষ্ঠসাধ্য ব্যাপার। যুবলীগ নেতা স¤্রাট ছিলো এসব আলোচনার শীর্ষে। তাকে নিয়ে এখনও চলছে ধু¤্রজাল।
দেশের সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সাহসী ও সময়পোযোগী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায়। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে ক্যাসিনো ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযানের সার্বক্ষনিক খোজখবর রাখেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এক আলোচনা সভায় তিনি বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গড়তে অঙ্গীকার করেন। সহযোগিতা চান দলমত নির্বিশেষে সবার। যা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার জন্য ইতিবাচক সংবাদ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, চাঁদার বখরা নিয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মারামারি, খুনোখুনির ঘটনা ছিলো পত্র-পত্রিকায় নিত্য দিনের সংবাদ। দলের লেবেল লাগিয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, নদী-খাল ভরাট, অন্যের জায়গা জমি দখল, শালিস দরবারের নামে অবৈধ অর্থ আদায়, থানায় কৃত্রিম মামলা-মোকাদ্দমা সৃষ্টির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানীরকারীদের তালিকা প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রীর গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেন। তা শোনার সাথে সাথে কারো কারো কপালে ভাঁজ ও চেহারা মলিন হওয়ার দৃশ্য প্রতীয়মান। তাদের চেহারার গ্লেস কমে যায়। অনেকে এখন ধর্ম-কর্মের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাবলীগের চিল্লায় যাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে অনেকের।
শুদ্ধি অভিযান শুরু হওয়ার পর হঠাৎ করে সড়কে হ্রাস পেয়েছে বিলাসবহুল গাড়ির সংখ্যা। রাস্তায় কম বেশি প্রাইভেট গাড়ি থাকলেও দামি ব্রান্ডের গাড়ির সংখ্যা হঠাৎ করে কমে গেছে। ভিআইপি গাড়ির সঙ্গে কমেছে মোটরসাইকেলের সংখ্যা। একই সঙ্গে গাড়ির শো রুমে বিক্রি অর্ধেকে নেমে এসেছে। সবচেয়ে বেশী সমস্যায় পড়েছে আলিশান ডুপলেক্স বাড়ি, ফ্ল্যাট, বাংলোবাড়ীর মালিকরা। কারন টাকা, পয়সা, স্বর্ন, গাড়ী সবকিছু হস্তান্তর বা লুকানো সম্ভব। বিপদ বাড়ী, ফ্ল্যাট নিয়ে। কারন এগুলোতে দৃশ্যমান। ‘হা’ করে তাকিয়ে থাকে। তাই জেলা-উপজেলায় গড়ে ওঠা আলিশান বিস্ময় বাড়িগুলো এখন অনেকের গলায় কাঁটা! প্রভাবশালীদের অনেক পিয়ন-দারোয়ানও বিশাল বিত্ত-বৈভবের মালিক। অনেক জেলা-উপজেলায় এমন বাড়ির উদ্ভব হয়েছে, যা দেখতে ভিড় জমে যায়। কোনো কোনো এমপি তৈরি করেছেন ‘রাজপ্রাসাদ’। অনেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র, কাউন্সিলর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও এদিকে পিছিয়ে নেই। নিজেদের এতোদিন রাজা-মহারাজা ভাবতেন তারা। এখন দিন-রাত আতঙ্ক। ‘বড় খতমে’র দোয়া পড়ে সময় পার করতে হচ্ছে।

অপ্রিয় হলেও সত্য যে, কলুষমুক্ত বিশুদ্ধ আওয়ামী লীগ দেখতে চান দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা। দুর্নীতি, অপকর্ম আর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে জড়িতরা দলে আর যেনো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে তেমনটিই প্রত্যাশা তাদের। তাই চলমান অভিযানে খুশি দলের তৃণমুলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। দলের নাম ভাঙিয়ে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা, আঙুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়ে ক্ষমতার দাপট দেখানো ও বলয় তৈরি করে রাজনীতি করা কথিত নেতাদের লাগাম টেনে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সর্বস্তরে শুদ্ধি এর মধ্য দিয়ে পরিশুদ্ধ করে জনগণের কাছে আওয়ামী লীগকে জনপ্রিয় সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্সে রয়েছেন। শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থাকে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে বিভিন্ন খাতের প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। সচিব থেকে শুরু করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌশলী, সাবরেজিষ্ট্রার, পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তা নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন বিপুল সম্পদ । তাদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা দরকার, পাকা রাস্তা, সোডিয়ামবাতি, আর ইটপাথরের বাড়ীর মধ্যেই সবকিছু সীমাবদ্ধ নয়। সুশাসনের বিষয়টিও অধিক গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্ন হচ্ছে, এই সুশাসন গ্রাম পর্যায়ে পৌছতে হলে যোগ্য ও যথাযথ জনপ্রতিনিধি খুঁজে পাওয়া দুস্কার। কারণ, মেধাবী, শিক্ষিত ও ভদ্র লোকেরা এখন চেয়ারম্যান, মেম্বার হতে চান না। জাতীয় সংসদ যারা প্রতিনিধিত্ব করছেন তাদের অধিকাংশই ব্যবসায়ী। মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিবিদরা উপেক্ষিত। সম্প্রতি ইউএনডিপির এক আলোচনায় বলা হয়, বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশী। যা অনেকটা ‘গরীবের ঘোড়া রোগের দশা। আমাদের প্রকল্পগুলোতে যদি ১ শতাংশ ব্যায় কৃচ্ছতা সাধন করা যায় তাহলে প্রতিবছর ২৫০০ কিলোমিটার গ্রামীণ পাকা রাস্তা বা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতো। আর প্রকল্পের দুর্নতির কথা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। রূপপুরের পারমানবিক কেন্দ্রের পুলিশ, ফরিদপুর মেডিক্যালের পর্দা কেলেংকারীর ঘটনা এখন ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ। সেই সাথে প্রশাসনের দুর্নীতি, ব্যাংকের ঋণ লুটেরা, শেয়ারবাজার লুট, দেশের ৭৮টি বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গরীব গ্রাহকের আমানত আত্মসাতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান প্রত্যাশা করে।

গত ১১ বছর সরকার দেশের উন্নয়নে যেভাবে অবদান রেখেছে, সেভাবে দল ও সরকারের ইমেজ বাড়েনি। সরকারের সেক্টর-ভিত্তিক ঈর্ষণীয় উন্নয়ন হলেও তা ম্লান হয়েছে কতিপয় দুর্নীতিবাজ আর সন্ত্রাসীর অপকর্মে। আর এসবের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বেশির ভাগই ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে কোনও না কোনোভাবে সম্পৃক্ত। যাদের অনেকে ফ্রীডমপার্টি, জামাত, বিএনপি থেকে এসে আওয়ামীলীগের লেবেল লাগিয়ে এসব অপকর্ম চালাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করে অপকর্ম, দুর্নীতি, লুটপাট, ভূমি দখল, মাদক ব্যাবসায় লিপ্ত।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর শাসনামলেও যৌথ অভিযান হয়েছিল। বিপ্ল¬বী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ময়মনসিংহের কলেজ রোডের বাড়ির মাটি খুঁড়ে অস্ত্র খোঁজা হয়েছিল। সিরাজগঞ্জ আওয়ামীলীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন তালুকদারের বাড়ি করা হয়েছিল তছনছ। আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়ি তল্ল¬াশি করা হয়েছিল আবুল হাসনাত আবদুল্ল¬াহর জন্য। শত চেষ্টা করেও বঙ্গবন্ধু পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। ২০০৬ সালে ক্ষমতায় এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘ক্লীনহার্ট’ অভিযান চালান। দেশের সাধারন মানুষ খুশি হলে বিএনপি নেতা-কর্মী ছিলো বেজার। এখন আওয়ামীলীগের লেবেলধারী অনেক গডফাদার চলমান অভিযানে বড্ড অসুনতুষ্ট। বর্তমান সরকারের আগামী ৪ বছরের শাসনামল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স বজায় রাখলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিশ্ব দরবারের উন্নত শিখরে পৌঁছাতে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিষ্ট ও লেখক
[email protected]
মোবাইল: ০১৭১১-৩২৭০৫৯




লাকসামে টানা ৪০ দিন নামাজ পড়ে সাইকেল পেল ১৯ শিশু-কিশোর

লাকসামে নেসলে বিডি’র গোডাউনে অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

লাকসামের সাখাওয়াত হোসাইন মামুন জেসিআই বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান নির্বাচিত

কুমিল্লায় নিখোঁজের তিন দিনেও সন্ধান মিলেনি স্কুল ছাত্র ইয়াসিন আরাফাতের 

লাকসামের আজগরা হাজী আলতাপ আলী হাইস্কুল এণ্ড কলেজের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

কিছু বিপদগামী নেতা দলের ভেতর অন্তঃকোন্দল সৃষ্টি করার পায়তারা করছে: আজগরা ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল

এএসপি আনিসুল করিমের কবরে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

অনলাইনে কুমিল্লা সরকারি সিটি কলেজে একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

লাকসাম পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী নবাব ফয়জুন্নেছার পরিবারের সদস্য আয়াজ

নাঙ্গলকোটে পুলিশের গুলিতে স্কুুল ছাত্রসহ ২ জন গুলিবিদ্ধ: এএসআই আবদুর রহিমের কর্মকান্ডে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ

লাকসামে তিনজনের শরীরে করোনার উপসর্গ : আইইডিসিআর-এ নমুনা প্রেরণ

প্রবাসীদের নিয়ে নাঙ্গলকোটের ইউপি মেম্বার জুলাসের কটুক্তি: দেশ-বিদেশে প্রতিবাদের ঝড় 

লাকসামের মুদাফরগঞ্জ বাজারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী খুন

নাঙ্গলকোটে বিএনপি অফিসে তালা দিলেন আওয়ামী লীগ নেতা: অভিযোগ বিএনপি নেতার

নাঙ্গলকোটে চাচার সেফটি ট্যাঙ্ক থেকে ভাতিজার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার!

লাকসামের জনপ্রিয় গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. লতিফা আহমদ লতা করোনায় মারা যাওয়ার গুজব ছড়ানো হলেও শতভাগ সুস্থ

লাকসামের সেই দুই সহোদরের পরিবারের নতুন ৬ জন করোনায় আক্রান্ত : সর্বমোট আক্রান্ত ১০

স্ত্রী ও সন্তানের স্বীকৃতি পেতে ডেনমার্ক থেকে নাঙ্গলকোটে এলেন এক নারী

নাঙ্গলকোটে আট বছর বয়সী চাচাতো বোনকে মুখ চেপে ধর্ষণ করতো আপন জেঠাতো ভাই