গত বছরের শেষ দিকে চীনে মহামারি এই ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও এতে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার ৮৪৯ জন মারা গেছেন, আর আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৪৭ হাজার ৫৭৭ জন।
মৃত্যুতে ইতালির পরপরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার ৭৪৭ জন মারা গেছেন, আর আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ লাখ ২ হাজার ৮৭৬ জন।
এদিকে মৃত্যুর দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে স্পেন। বর্তমানে দেশটিতে এক লাখ ৫৮ হাজার ২৭৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৮১ জনের।
করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৯৫৩ জন, মারা গেছেন ৩ হাজার ৩৩৯ জন।
ইউরোপের আরেক দেশ ফ্রান্সে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে করোনা। দেশটিতে এ পর্যন্ত এক লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ১৯৭ জনের।
এছাড়া জার্মানিতেও প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ২২ হাজার ১৭১ জন, আর মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৭৩৬ জনের।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ইউরোপের প্রায় সব দেশ লকডাউন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেকের বেশি মানুষ ঘরবন্দী। এ রকম লকডাউন চলছে এশিয়া ও আফ্রিকাসহ অন্যান্য মহাদেশেও।
মধ্যপ্রাচ্যের ইরানে এখন পর্যন্ত ৬৮ হাজার ১৯২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে ৪ হাজার ২৩২ জন।
ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭ হাজার ৬০০ জনে দাঁড়িয়েছে, মারা গেছেন ২৪৯ জন। পাকিস্তানে মৃতের সংখ্যা ৬৬ জন, আক্রান্ত ৪ হাজার ৬৯৫ জন।
এদিকে বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৯৪ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২৪ জনে, এর মধ্যে ২৭ জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৩ জন।