স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লার লাকসামের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের ল্যব সহকারী করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসলোশানে থাকলেও কাউকে না জানিয়ে তিনি নাঙ্গলকোটের চাটিতলা গ্রামে নিজ বাড়িতে চলে যাওয়ায় আজ শুক্রবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুল এর নির্দেশে তার লকডাউন করা হয়েছে। আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবের সার্বিক সহযোগীতায় স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল হোসেন এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মী জসিম উদ্দিন গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে বাড়ির সামনে বাঁশের বেড়া দিয়ে লকডাউন করেন।
পল্লী চিকিৎসক নুরুল আলমের বড় ছেলে লাকসামের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ল্যাব সহকারী হিসেবে কর্মরত অবস্থায় আইইডিসিআর এর রিপোর্টে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর থেকে সে ওই হাসপাতালে আইসোলেশানে ছিল। কিন্তু গত বুধবার রাতে সে কাউকে কিছু না জানিয়ে সিএনজি নিয়ে নিজ বাড়িতে অবস্থান নেয়। তার বাড়িতে প্রায় ২০টি পরিবারে শতাধিক লোকের বসবাস।
এতে বাড়ির লোকজন আতঙ্কিত হয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান এর সহযোগিতা চায়। চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্মকর্তা ডাঃ দেবদাস দেব কে অবহিত করেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের নির্দেশ মোতাবেক বাড়িটি লকডাউন করা হয়।
কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মী জসিম উদ্দিন জানান, ব্যাপারটা অবগত হওয়ার পর আমি রোগীর বাড়িতে গিয়ে তাকে তার পরিবার এবং বাড়ির অন্যান্য লোকদের কাছ থেকে সম্পুর্ণ আলাদা থাকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করি। এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ দেবদাস দেব মহোদয়কে জানানো এবং বাড়ির সকলের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা অবহিত করেছি।