জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহিমের বাড়ি নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের করপাতি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আলী আরশাদের ছেলে। চাকুরির সুবাধে তিনি লাকসাম পশ্চিমগাঁও এলাকায় বাড়ি করে দীর্ঘদিন থেকে বসবাস করে আসছেন। কয়েকদিন আগে তার শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে পরিবারের লোকজন তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি দেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে করোনা ওয়ার্ডে স্থানান্তর করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে তিনি মারা যান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে রাত ৯টায় লাশ দাফন কাজে নিয়োজিত মানবিক সংগঠন কুমিল্লার বিবেকের সদস্যরা নাঙ্গলকোটে করপাতি পারিবারিক কবরস্থানে মোহাম্মদ ইব্রাহিমের মরদেহ দাফন করেন।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লামইয়া সাইফুল জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে ওই ব্যক্তির মরদেহ দাফন করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে তিনি সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।