প্রচুর বৃষ্টি হওয়ার কারণে ফারাক্কার সবকটি বাঁধ খুলে দিয়েছে ভারত। এতে রাজশাহীর পদ্মা নদীতে বেড়েই চলছে পানি। প্রতি মুহূর্তে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। নদীতে এখন প্রচণ্ড স্রোত থাকায় ইতোমধ্যে রাজশাহীর চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) দুপুরে বিপদসীমা থেকে মাত্র ৪৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পদ্মার পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ শাহিদুল আলম জানান, ভারতের বিহার ও উত্তর প্রদেশে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতের কারণে বাড়ছে পদ্মার পানি। বর্ষায় ফারাক্কার গেইটতো খোলা থাকে। ফলে গতকাল পানি বেড়েছে ১১ সেন্টিমিটার আর আজ বেড়েছে সাত সেন্টিমিটার।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় পদ্মার পানির উচ্চতা ছিল ১৮ দশমিক ০৭ মিটার। এর আগে ভোর ৬টায় ছিল ১৮ দশমিক ৪ মিটার। রাজশাহীতে পদ্মার পানির বিপদসীমা ১৮ দশমিক ৫০ মিটার।
পানি বৃদ্ধির কারণে রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট, পবা ও গোদাগাড়ী উপজেলার চরাঞ্চলের বেশকিছু গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। বাঘার চরাঞ্চলের ১১টি স্কুল গত রোববার থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বড় ধরনের বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশে।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হামিদুল হক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি তারা যেন সরে আসে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের আমরা চাল, চিড়া ও শুকনো খাবার দিয়েছি।