মোঃ খোরশেদ আলম:
ফিকশন ক্যারেক্টারের ন্যায় বাস্তব জীবনেও কিছু সুপার হিরোর দেখা পাওয়া যায়৷ আমরা দেখতে পাই আমাদের আশেপাশে। সেইসব মানুষ গুলো শুধুই হিউম্যান না। সুপার হিউম্যান, সুপার হিরো। এই মানুষ গুলো আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। আমাদের ছায়া দিয়ে আগলে রাখে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও।
এমন একজন সুপার হিরো আমার শ্রদ্ধেয় অভিভাবক, বাংলাদেশ পুলিশের জীবন্ত কিংবদন্তী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, জনাব হাবিবুর রহমান বিপিএম(বার), পিপিএম(বার) মহোদয়। শ্রদ্ধেয় এই মানুষটা আমার জীবনে আর্শীবাদ। শুধু আমার জীবনেই না বাংলাদেশ পুলিশের জন্য ও আর্শীবাদ। অসংখ্য জুনিয়র কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্যদের দের অনুপ্রেরণা দিয়ে দেশের সেবায় আত্মত্যাগে নিয়োজিত রাখতে বিহাইন্ড দ্য সিনের মাস্টারপিস।
শ্রদ্ধেয় এই মানুষটাকে সুপার হিরো বলার অনেক গুলো কারণ আছে। সমাজ বিচ্ছিন্ন এবং পশ্চাৎপদ জীবনযাত্রায় হিজড়া সম্প্রদায় সামাজিক ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এই হিজড়া সম্প্রদায়ের জন্য মহৎপ্রাণ কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন উত্তরণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এই মানুষটা।
আধুনিক সভ্যতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পশ্চাৎপদ জীবনযাত্রায় বেদে ও হিজড়া সম্প্রদায়ের যাযাবর জীবন এবং আশ্রয়হীন যেসব মানুষ সামাজিক ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত তাদের জন্য উত্তরণ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আলোকবর্তিকা জ্বালানোর মহৎপ্রাণ কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন স্যার।
শতশত পরিবার আজ হাসিমুখে আছে স্যারের জন্য।
রাষ্ট্রের নিরাপত্তায় আপোষহীন মনোবলের বাংলাদেশ পুলিশের একজন চৌকশ, পরিশ্রমী, মেধাবী পুলিশ অফিসার। পুলিশবাহিনীর গৌরব, সংগ্রাম ও ত্যাগের প্রতিচ্ছবি।
পেশাদারিত্বের দৃঢ়চেতা মনোভাবের বাইরেও উনার বিশেষ গুণ মানবসেবা, ইতিহাস রক্ষণাবেক্ষণ। পুলিশ বাহিনীর ইতিহাস রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। প্রতিনিয়ত আপনার কাছ থেকে শিখে যাচ্ছি স্যার।
করোনা ভাইরাসের মহামারির দিনে স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রম, নির্দেশনা আর মানবিকতা দেখে বারবার মুগ্ধ হচ্ছি৷ শিখে যাচ্ছি সবসময়ই পেশাদারিত্ব আর মানবিকতা আপনার কাছে।
আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রদ্ধেয় এই মহান মানুষটির আজ (২২/০৪/২০২০খ্রিঃ) জন্মদিন। শুভ জন্মদিন স্যার। সবসময়ই চাই ভালো থাকুন।
স্যারের জন্য সবাই দোয়া করবেন।
লেখক: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
নারায়নগঞ্জ ‘খ’ সার্কেল।