মোঃ খোরশেদ আলম: বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৩% আসে গার্মেন্টস শিল্প থেকে৷ আমাদের অর্থনীতির সিংহভাগ আয় এই খাতে। এই গার্মেন্টস শিল্প কেন্দ্রিক কয়েক লাখ পরিবার নির্ভরশীল। আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়
সাখাওয়াত হোসেন মামুন: আপনি শপিং মলে আনন্দ ফুর্তি করতে গিয়ে করোনা বাঁধাবেন। আপনার চিকিৎসা করতে দিয়ে ডাক্তার নার্স মারা যাবে, রাষ্ট্র আপনার চিকিৎসায় ভর্তুকি দিবে, আপনার ও আপনাদের কারনে লকডাউন
মোঃ খোরশেদ আলম: বাংলাদেশ পুলিশ দেশের স্বার্থে, মানবিক কারণে, পেশাগত দায়িত্ব পালনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে সমগ্র বিশ্ব সহ, আমাদের দেশ এক অচলায়তনের মধ্য আছে করোনা
মোঃ জাকির হোসেন: ফেসবুকে একজন ভাই লিখেছেন, ৫৪ জন চেয়ারম্যান মেম্বারকে ইতিমধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের এলজিআরডি মন্ত্রী জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম সাহেবকে।
অ্যাডভোকটে তানজিনা: আমার নেতা, আমার আদর্শ। আমি তাঁর একজন কর্মী হতে পেরে নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করছি। দেশে করোনা ভাইরাস আগমনের পর থেকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পরে যে গুটিকয়েকজন
মোঃ খোরশেদ আলম: বিগত ৭টা ঈদ যাবত বিভিন্ন হাইওয়ে কেন্দ্রিক দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে আমাকে। সাভারে থাকাকালীন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে। নারায়গঞ্জে পোস্টিং হবার পর ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক কখনো, কখনোবা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দায়িত্ব
অ্যাডভোকেট তানজিনা: মসজিদ, গার্মেন্টস, শপিংমল সব শেষ! এবার নতুন ইস্যু কি? কি হবে সমালোচনার নতুন আইটেম? ইতিহাস আর অভিজ্ঞতা যেটা বলে, যেচে গিয়ে জীবনে কাউকে উপকার করতে নেই। এতে হীতে
মোঃ খোরশেদ আলম: দেশ সহ সমগ্র বিশ্বই আজ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। অর্থনীতি সহ মানবিক বিপর্যয় দেখা যাচ্ছে। অর্থনৈতিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠলেও মানবিক বিপর্যয় কাটানো কঠিন। সমগ্র বিশ্বে ২ লাখ ৪৮
অ্যাড. তানজিনা: বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে আমি আমার ব্যক্তিগত অভিমত পেশ করছি- করোনা ভাইরাস আবির্ভাব হওয়ার পর থেকে, আমার টাইম লাইনের প্রতিটি পোস্ট দেখার পর দেশপ্রেমিক
মোঃ খোরশেদ আলম: পুলিশের চাকরিতে রিলাক্স, অবসর টাইম, নিশ্চিন্ত….এই শব্দগুলো বড্ড বেমানান। সদা ব্যস্ততা আর কর্মময় জীবন পুলিশের। ব্যস্ততার বাইরে একটা মুহূর্তও চিন্তা করা সম্ভব নয় এখানে।….নিজের জন্য, পরিবারের জন্য