আবদুল আজিজ: সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত বিষয় যা কারো অজানা নয়। আর তা হচ্ছে করোনা এবং ডেঙ্গু জ্বর। যদিও ১৯৯৯ সালে এ রোগের ভয়াবহতা দেখা দেয়। তবে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা/গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী
মিনহাজুল ইসলাম: দিনদিন রক্তযোদ্ধা ও রক্তদাতারা হারিয়ে যাচ্ছে, তার কারন কি? “ভয় নয় রক্ত দানে হোক ‘মানবতার জয়“ #আমরা তো সকল রক্ত যোদ্ধারা এই শ্লোগান মুখে নিয়ে আত্মমানবতার সেবা এগিয়ে
আমিনা আক্তার প্রিয়া: ফেসবুক এখন “মা দিবস” ময়। প্রতি বছর মা দিবস আসে-যায়, আর মায়েরা-সন্তানেরা তাদের যাপিত জীবন নিয়ে এগিয়ে যায়, গুটিয়ে যায়, হারিয়ে যায়। তবে রেখে যায় প্রথাগত কিছু
আবু পলাশ মো. সফি উল্লা: এই করোনা শেষ হবে না, এই করোনা চলতেই থাকবে। পুর্বের মহামারীগুলো প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধক (ভ্যাক্সিন) আবিষ্কার হয়ে সর্বত্র ছড়ানোর পূর্ব পর্যন্ত তান্ডব চালিয়েছে। এই করোনারও
সামছুল আলম সাদ্দাম (জয়): সুদিন আসবেই, পাল্টে যাচ্ছে আমাদের পৃথিবীটা! যতই ঝড় আসুক হাসের কোন ভয় নাই। তারা ভেসে থাকবে। দীর্ঘমেয়াদী লকডাউনে হু হু করে কমছে বায়ুদূষণের মাত্রা! চীন, ইতালি
মনির আহমেদ: গরীব, মধ্যবিত্ত আর নিম্ন আয়ের মানুষরা খুব বেশীদিন কর্মহীন অবস্থায় ঘরবন্দি থাকতে পারবে না। কারণ, একটি নির্দিষ্ট মাফকাঠির মধ্যেই তাদেরকে জীবনযাপন করতে হয়। গত প্রায় দুই মাস যাবত
সামছুল আলম সাদ্দাম: সকাল হলো ঠিকই। কিন্তু গতকালের মতো করোনাযুক্ত হয়ে! বন্দী হওয়ার সংখ্যা আরো বাড়িয়ে দিয়ে। শপিং মল খুলে দেওয়ার কথা শুনে সবাই অনেক বেশি আতংকিত হবার কথা বললেও
মনির আহমেদ: দিনটি ছিল শুক্রবার। লাকসাম পাবলিক হল মিলনায়তনে তৎকালীন সময়ে নির্বাচিত পৌর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মজির আহমেদ এর শপথ অনুষ্ঠানের তোড়জোড় চলছিল। বিকাল ৪টার পর থেকে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মেহমানরা
মোঃ খোরশেদ আলম: ফিকশন ক্যারেক্টারের ন্যায় বাস্তব জীবনেও কিছু সুপার হিরোর দেখা পাওয়া যায়৷ আমরা দেখতে পাই আমাদের আশেপাশে। সেইসব মানুষ গুলো শুধুই হিউম্যান না। সুপার হিউম্যান, সুপার হিরো। এই
জহিরুল কাইউম ফিরোজ: বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস কতটা প্রভাব বিস্তার করেছে সেটা জানতে বিশেষজ্ঞ হবার প্রয়োজন নেই। পৃথিবীর আর কোন দেশে বোধকরি অনুজীবটি এত অবাধে বিচরণ করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, স্পেন,